ইউটিউব ভিডিওর ভিউ বাড়ানোর উপায় (ভাইরাল করার টিপস) আপডেট

5/5 - (3 votes)

আমাদের মধ্যে অনেকেই নতুন ইউটিউব চ্যানেল খুলেন যাদের বেশিরভাগই প্রশ্ন থাকে ইউটিউব ভিডিও ভিউ বাড়ানোর উপায় নিয়ে। অনেকে হয়তো শুনেছেন ইউটিউব চ্যানেলে যত ভিউ তত টাকা।

কিন্তু বিষয়টি ঠিক তেমন নয়। যারা নতুন ইউটিউবার রয়েছেন তাদের জন্য ভিডিও ভাইরাল হওয়া টা খুবই জরুরী। কেননা নতুন ইউটিউবাররা যখন একটি ইউটিউব চ্যানেল চালু করেন. তখন তাদের চ্যানেলে তেমন কোনো ভিউ বা সাবস্ক্রাইবার থাকেনা। একটি ভিডিও ভাইরাল হলে অনেক ভিউ এবং সাবস্ক্রাইবার আসার অনেক সম্ভাবনা থাকে। 

তাই অবশ্যই নতুন ইউটিউবাররা ভিউ বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে জানতে চান। একটি ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল অনেক কারণে হয়ে থাকে। ছোটখাটো অনেকগুলো বিষয় মিলিয়ে ইউটিউব চ্যানেলের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়।

আজকের পোস্টে ইউটিব চ্যানেল ভিডিও ভাইরাল কেন হয় এবং ইউটিউব চ্যানেল ভিডিও ভাইরাল করার উপায় কি সেই বিষয়ে আলোচনা করা হবে। তাই যারা এই বিষয়ে জানতে চান তারা অবশ্যই সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

ইউটিউব ভিডিওর ভিউ বাড়ানোর উপায়
ইউটিউব ভিডিওর ভিউ বাড়ানোর উপায়

আর্টিকেল সূচি

Youtube ভিডিও ভাইরাল কিভাবে হয়

ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল হওয়ার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। বর্তমান সময়ে সকল ইউটিউবার চাই তাদের চ্যানেলের ভিডিওগুলোকে ভাইরাল করতে। কেননা একটি চ্যানেলকে বড় করতে হলে ভিডিও ভাইরাল করতে হবে। অনেক ইউটিউবার এই কাজটি পারেন আবার অনেক ইউটিউবার পারেন না।

আপনার জন্য আরও: 



যারা ইউটিউবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এবং চ্যানেলে অনেক ভিডিও ইতিমধ্যে আপলোড করে ফেলেছেন তারা অনেক সময় হাল ছেড়ে দিচ্ছেন ভিডিও ভাইরাল না হওয়ার কারণে। তাই ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল কিভাবে হয় বা ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করার নিয়ম সম্পর্কে অবশ্যই জানার জরুরি। ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করার কিছু উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো পয়েন্ট আকারে:-

ইউটিউব চ্যানেল ভিউ বাড়ানোর উপায়

কোন ভিডিও যদি ভাইরাল হয় তাহলে অবশ্যই সেই ভিডিওতে ভিউ আসবে। কিন্তু আমরা অনেকেই ভিডিওতে ভিউ আনার চেষ্টা করি। বিশেষ করে নতুন ইউটিউবাররা কিভাবে ভিডিওতে অনেক বেশি ভিউ আনবেন সেটা বুঝে উঠতে পারেন না।

আসলে নতুন চ্যানেল গুলোতে ভিউ আসতে অনেকটা দেরি হয়। নতুন চ্যানেলের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ছয় মাস যদি ভালোভাবে কাজ করে যাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই ভিডিও ভাইরাল হবে। ভিডিও ভাইরাল হলে ভিডিওতে ভিউ আসতে বাধ্য।

নিয়মিত যদি কাজ করে যাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই ভিডিওতে ভিউ আসবে। Youtube চ্যানেলে ভিউ বাড়ানোর অসংখ্য পদ্ধতি রয়েছে। নিচে বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো কিভাবে খুব সহজেই ইউটিউব চ্যানেলে ভিউ বাড়ানো যায়:-

১. কি ওয়ার্ড  রিসার্চ করে ভিডিও বানানো

২. ভিডিওতে আকর্ষণীয় থাম্নেল ব্যবহার করা

৩. ভিডিওর একটি সুন্দর টাইটেল দেওয়া

৪. ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার করা

কিওয়ার্ড  রিসার্চ করে ভিডিও বানাতে হবে

Youtube চ্যানেলের কোন ভিডিওতে নিয়মিত ভিউ নিয়ে আসার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করে ভিডিও বানানো খুবই জরুরী। কেননা সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্চ পারে সকল সময় ইউটিউবে সার্চ অ্যালগরিদম থেকে আপনার ভিডিওতে ভিউ নিয়ে আসতে।

তাছাড়া আপনার ভিডিওর ইম্প্রেশন যদি অনেক ভালো হয় তাহলে এর মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যেতে পারে। বেশিরভাগ সফল ইউটিউবাররাই সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে তাদের চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করে থাকেন।

তাই যদি কোন নতুন ইউটিউবার একটি চ্যানেল তৈরি করেন তাহলে সর্বপ্রথম তার কাজ হচ্ছে কিওয়ার্ড  রিসার্চ করে ভিডিও তৈরি করা।

কেননা প্রথম পর্যায়ে আপনার চ্যানেলটি নতুন অবস্থায় থাকবে তাই চ্যানেল সম্পর্কে কেউ জানবে না। তাই আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে ভিডিও বানিয়ে অডিয়েন্সদের আগ্রহী করে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে নিয়ে আসতে হবে।

আপনার ভিডিও দেখে তারা যদি উপকৃত হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবে। এতে করে আপনার চ্যানেলটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকবে এবং ভিডিওতে ভিউ বাড়তে থাকবে। তাই অবশ্যই ভিডিওতে ভিউ বাড়ানোর জন্য সঠিকভাবে কিওয়ার্ড সিলেক্ট করে ভিডিও বানাতে হবে।


Note

ইউটিউব ভিডিও কিওয়ার্ড রিসার্চের জন্য আপনি আমাদের ওয়েবসাইটের: ইউটিউব এসইও পোস্টটি দেখতে পারেন।


ভিডিওতে আকর্ষণীয় থাম্বনেইল  ব্যবহার করা

কোন ভিডিওতে ভিউ নিয়ে আসার জন্য আকর্ষণীয় একটি Thumbnail খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা অনেক ইউটিউব ব্যবহারকারী রয়েছে  যারা সাধারণত Thumbnail দেখে ইউটিউব ভিডিও তে ক্লিক করে থাকেন। 

তাই অবশ্যই নিজের ইউটিউব ভিডিওর জন্য এমন একটি আকর্ষণীয় থাম্বনেইল তৈরি করতে হবে। যাতে লোকেরা বেশি আপনার ভিডিওতে ক্লিক করে।

আপনার ভিডিও দেখে যদি তার ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখবে এবং পরবর্তী ভিডিও গুলো দেখবে। অর্থাৎ সে আপনার চ্যানেলের একজন নিয়মিত দর্শক হয়ে গেল। তাই অবশ্যই ইউটিউব ভিডিও পাবলিশ করার আগে ভিডিওতে একটি আকর্ষণীয় Thumbnail লাগিয়ে দিতে হবে।


Note

আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ তেমন না বুঝেন, অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনে সফটওয়্যার ব্যবহার সঠিকভাবে না করতে পারেন। তাহলে আপনার জন্য আমার সাজেশন হচ্ছে, canva.com গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েবসাইট রয়েছে, সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিও থাম্বনেইল সহ গ্রাফিক্সের যাবতীয় কাজ খুব সহজেই করতে পারবেন।


ভিডিও টাইটেল সুন্দর দিতে হবে

কোন ইউটিউব ভিডিওতে ভিউ আনার জন্য অবশ্যই একটি সুন্দর টাইটেল সেই ভিডিওর জন্য নির্বাচন করতে হবে। কেননা টাইটেল এর মাধ্যমে ভিডিওটির বিষয়বস্তু বোঝানো হয়ে থাকে। তাই ভিডিওটির এমন একটি টাইটেল দিতে হবে যে টাইটেলটি পড়ে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই বুঝতে পারে ভিডিওটি কোন বিষয়ের উপর তৈরি হয়েছে।

তাহলে দর্শক যদি ভিডিওটি প্রয়োজনীয় মনে করে তাহলে চ্যানেলে সরাসরি গিয়ে ভিডিও দেখা শুরু করবে। তাই যারা ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে ভিউ বাড়ানোর উপায় খুঁজে দেখেন তারা অবশ্যই এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে হবে

নতুন ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী বা যারা নতুন ইউটিউব চ্যানেল খুলেছেন তাদেরকে অবশ্যই এই বিষয়টি অবলম্বন করতে হবে। ধরুন আপনি “Tech Solution All 24” নামে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছেন। চ্যানেলে আপনি নিয়মিত ভিডিও ছাড়া শুরু করেছেন। আপনার চ্যানেলটি যেহেতু নতুন তাই চ্যানেলে কোন সাবস্ক্রাইবার থাকবে না।

তাই আপনাকে সর্বপ্রথম সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ারের মাধ্যমে আপনার Youtube চ্যানেলে দর্শক নিয়ে আসতে হবে। অর্থাৎ আপনি যখনই ভিডিও তৈরি করবেন এবং ইউটিউবে পাবলিশ করবেন তারপর পরে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিওগুলো শেয়ার করবেন।

এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরাসরি ভেজিটর আপনার ইউটিউব চ্যানেলে চলে আসবে। আপনার চ্যানেলের ভিডিও গুলো দেখে যদি ভালো লেগে যায় তাহলে অবশ্যই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে নিয়মিত দর্শক হয়ে থাকবে। তাহলে এক্ষেত্রে youtube ভিডিও ভিউ আনার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ারও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়াও দেখতে পারেন: 


  1. ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার নিয়ম ২০২২ (খুব সহজ উপায়)
  2. ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম | কিভাবে প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন?
  3. ২০২৩ সালে ইউটিউবে ভিডিও তৈরির বিষয় জেনে নিন

ইউটিউব  ভিডিও ভাইরাল করার নিয়ম

Youtube ভিডিও সাধারণত ভাইরাল করতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে। অর্থাৎ কোন ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও ভাইরাল করার জন্য আমাদেরকে Technically কিছু কাজ করতে হবে ।

অনেক বড় ইউটিউবার এই পদ্ধতিতে কাজ করার মাধ্যমে তাদের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ভাইরাল করতে সক্ষম। যারা নতুন ইউটিউবার রয়েছে তাদের এই পদ্ধতি গুলো জেনে রাখা খুবই জরুরী। তাই যাদের Youtube চ্যানেল রয়েছে এবং ভিডিও ভাইরাল হয় না তারা নিচের পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করে কাজ করে যেতে পারেন।

১.ট্রেন্ডিং টপিকে ভিডিও তৈরি করুন

কোন ইউটিউব ভিডিও ভিউ বাড়ানোর বা কোন ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করার জন্য Trending টপিকে ভিডিও বানানো খুবই জরুরী।

ট্রেন্ডিং টপিক হচ্ছে বর্তমান সময়ে মানুষ কোন বিষয়গুলো বেশি জানতে চাচ্ছে, কোন বিষয়গুলো বেশি দেখতে চাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে কি ঘটছে  অনেকটা এরকম। তাই যারা ট্রেন্ডিং টপিকে ভিডিও বানিয়ে থাকেন তাদের ভিডিও অন্যদের ভিডিও থেকে ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা  অনেক বেশি থাকে।

ধরুন এখন ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলছে আপনি যদি নিয়মিত ক্রিকেট বিশ্বকাপের ম্যাচ এবং ম্যাচের নানা বিষয় নিয়ে আপনার চ্যানেলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন তাহলে আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা বিশ্বকাপ হচ্ছে trending টপিক এবং আপনি এই টপিকের ওপর নিয়মিত ভিডিও তৈরি করছেন।

তাই আপনার ভিডিও কোয়ালিটি যদি ভালো হয় এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি হয় তাহলে আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যাবে।

২.ট্রেন্ডিং কিওয়ার্ডে ভিডিও তৈরি করতে হবে

শুধু Trending টপিক সিলেক্ট করলে হবে না আপনাকে অবশ্যই ট্রেন্ডিং টপিকের ওপর কিছু কিওয়ার্ড সিলেক্ট করতে হবে উক্ত ভিডিওটির জন্য। অর্থাৎ আপনি যদি ক্রিকেট বিশ্বকাপকে ট্রেন্ডিং টপিক মনে করে থাকেন তাহলে এর জন্য আপনি কিওয়ার্ড নিতে পারেন ICC T20 World Cup Live Match 2022। 

অর্থাৎ এমন ধরনের কিওয়ার্ড নিতে হবে যে কি ওয়ার্ড গুলা থেকে মোটামুটি সার্চ আসে এবং ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কেননা অনেক সময় বিষয়বস্তু এবং ভিডিওর সঠিক কি ওয়ার্ডের কারনে ভিডিও ভাইরাল করে থাকে। তাই অবশ্যই ভিডিও পাবলিশ করার আগে এই বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত। 

৩.ট্যাগ ব্যবহার করা/Youtube video tag

কোন ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করার জন্য সঠিক ট্যাগ ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ট্যাগ ব্যবহার করার ফলে যে কোন ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই কোন বিষয়ে ভিডিও তৈরি করবেন সেটা যদি ঠিক হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই ভিডিও জন্য ট্যাগ ঠিক করে ফেলতে হবে।

অনেক নতুন ইউটিউবার রয়েছে যারা নিয়মিত তাদের চ্যানেলে ভিডিও ছেড়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের ভিডিও ভাইরাল করতে পারছেন না। অর্থাৎ নতুন ইউটিউবাররা ট্যাগ এবং রিসার্চের দিকে বেশি গুরুত্ব না দেওয়ার ফলে ভিডিও ভাইরাল হয় না।তাই কোন ইউটিউব ভিডিওতে ভিউ আনার জন্য অবশ্যই ভিডিওতে সঠিক ট্যাগ ব্যবহার করা জরুরী।

৪.Thumbnail ব্যবহার করা

একটি আকর্ষণীয় Thumbnail ব্যবহার করার মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা আকর্ষণীয় থাম্বেল ব্যবহার করার মাধ্যমে তাদের চ্যানেলে অসংখ্য দর্শক নিয়ে যায়।

আর আপনি জানলে হয়তো কিছুটা অবাক হবেন একটি ভিডিওতে কি পরিমাণ ভিউ হবে তার ৬০ শতাংশ নির্ভর করে থাকে একটি আকর্ষণীয় Thumbnail উপরে। তাহলে অবশ্যই বলতে পারছেন একটি ভিডিও ভাইরাল করার জন্য Youtube থাম্বনেইল কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

তাই একটি ভিডিও বানানোর আগে অবশ্যই ভিডিওর সাথে সম্পর্কিত আকর্ষণীয় একটি থাম্বনেল বানিয়ে নিবেন। তাহলে Youtube ভিডিওতে ভিউ করার সম্ভাবনা বা Youtube ভিডিও ভাইরাল হওয়ার চান্স অনেক বেশি থাকবে।

৫.ভিডিও কোয়ালিটি খুবই ভালো করতে হবে

কোন ভিডিও ভাইরাল করার ক্ষেত্রে ভিডিও কোয়ালিটি ব্যাপক ভূমিকা রাখে। আপনার ভিডিওতে আপনি যত ভালই Thumbnail এবং কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন না কেন ভিডিওটি যদি ভালো কোয়ালিটির না হয় তাহলে অডিটেন্স ভিডিওটি কোন সময়ই শেষ পর্যন্ত দেখবে না।

যার ফলে আপনার ভিডিওর Audience reaction অনেক কমে যাবে। Audience reaction বা “Impression Click Through Rate” কমে যাওয়ার ফলে আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক কমবে।

তাই যারা নিজের ভিডিওতে ভিউ আনতে চান তারা ভিডিও কোয়ালিটির দিকে আগে নজর দিবেন। কেননা আপনার ভিডিওটি যদি হাই কোয়ালিটি সম্পূর্ণ হয় এবং আপনার ভিডিওটি দেখে যদি মানুষ উপকৃত হয় তাহলে অবশ্যই ভিডিওটি ভাইরাল হবে।

৬. ভিডিওর অডিও কোয়ালিটি ঠিক করতে হবে

ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করার ক্ষেত্রে Youtube ভিডিও তে থাকা অডিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কেননা আপনি একটি ইউটিউব ভিডিও তখনই দেখবেন যখন ভয়েসটি ভালো হবে।

অর্থাৎ Youtube ভিডিওর অডিও বা ভয়েস সিস্টেম যদি ভালো হয় তাহলে ভিডিওটি দেখতে ভালো লাগে  এবং অনেক কিছু বুঝতে পারা যায়। কিন্তু যারা নতুন ইউটিউবার রয়েছেন তারা অনেকেই এই বিষয়টার দিকে সঠিকভাবে নজর দেন না।

তাই আপনি যখন একটি হাই কোয়ালিটি ভিডিও বানাবেন Youtube এর জন্য সেই ভিডিওতে অডিও কোয়ালিটি আপনাকে ভালো দিতে হবে। তাহলে খুব সহজেই ভিডিওটি মানুষ দেখবে এবং ভিডিওটি ধীরে ধীরে ভাইরাল হতে থাকবে।

৭.সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে হবে

কোন ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার খুবই কাজে দেয়। ধরুন আপনি একটি ভিডিও বানিয়েছেন ভিডিওটি নিয়মিত আপনি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে শেয়ার দিচ্ছেন তাহলে ভিডিওটি এসইও করার পক্ষে খুবই ভালো হবে।

আপনার ভিডিও যত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা হবে তত Youtube এর কাছে ভিডিওটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ পাবে। Youtube তখন বুঝবে আপনার ভিডিওতে অবশ্যই ভালো কিছু আছে যার কারণে মানুষ এত দেখছে এবং শেয়ার করছে।

তখন Youtube আপনার ভিডিওকে প্রথম সারিতে নিয়ে আসবে অর্থাৎ সবার উপরের দিকে নিয়ে আসবে এবং ইউটিউব নিজেই আপনার ভিডিও ভাইরাল করে দিবে। তাই নতুন ইউটিউবার থেকে শুরু করে পুরাতন ইউটিউবার সকলেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ভিডিও শেয়ার করবেন।

৮. ইউটিউব চ্যানেলের বিষয় সিলেক্ট করতে হবে

অনেক অভিজ্ঞ ইউটিউবার এর মধ্যে যারা সাধারণত একটি বিষয় নিয়ে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে থাকে তাদের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

আমাদের মধ্যে অনেক ইউটিউবার আছে যারা প্রথমে একটি বিষয়কে টার্গেট করে ভিডিও বানিয়ে থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও তাদের চ্যানেলে আপলোড করে থাকেন।

আর এতে করে সাধারণত সমস্যাটার সৃষ্টি হয়ে থাকে। তখন তারা অনেক ভিডিও চ্যানেলে আপলোড করার পরও ভিডিও ভাইরাল হতে চায় না। মূলত আপনি যখন চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আপলোড করবেন তখন Youtube অনেকটা কনফিউজড হয়ে যাবে।

অর্থাৎ youtube বুঝতে পারবেনা আপনি কোন বিষয়ের উপর ভিডিও নিয়মিত আপলোড করছেন। তাই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে। তাই যদি নিজের ইউটিউব ভিডিওতে ভিউ আনতে চান বা Youtube ভিডিও ভাইরাল করতে চান তাহলে অবশ্যই একটি বিষয় সিলেক্ট করে নিয়মিত কাজ করে যেতে হবে।

ইউটিউব অটো ভিউ পাওয়ার উপায়

কিভাবে ইউটিউবে ভিউ বাড়বে বা ইউটিউবে অটো ভিউ পাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। নতুন ইউটিউবারদের Youtube অটো ভিউ সম্পর্কে জানা আগ্রহ রয়েছে।

আপনার ইউটিউব চ্যানেলে যদি অটো ভিউ নিয়ে আসতে হয় তাহলে টেন্ডিং টপিক নিয়ে আপনার চ্যানেলটিতে নিয়মিত ভিডিও বানাতে হবে। ট্রেন্ডিং টপিকের  উপর ভিডিও বানালে সেই ভিডিওগুলো খুব সহজেই ভাইরাল হবে এবং ভিডিওতে অটো ভিউ আসবে।

বর্তমানে অনেক নতুন ইউটিউবার এই পদ্ধতিতে কাজ করে তাদের চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার সহ প্রচুর ভিউ নিয়ে আসেন। তাই যারা ইউটিউবে অটো ভিউ নিতে চান তারা সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ারের পাশাপাশি ট্রেন্ডিং টপিকে ভিডিও বানাতে থাকুন।

ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি ভিউ পাওয়া ভিডিও কোনগুলো 

যারা নতুন নতুন ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন বলে ভাবছেন তাদের মধ্যে অনেকেই আগে এই বিষয়টা নিয়ে রিসার্চ করে ইউটিউবে সবচেয়ে বেশি ভিউ পাওয়া ভিডিও কোনগুলো বা কোন বিষয় নিয়ে কাজ করলে ভিডিওতে ভালো ভিউ আসবে। 

ইউটিউবে যারা টেকনোলজি নিশ নিয়ে কাজ করে থাকেন তাদের ভিডিওগুলোতে ভিউ একটু কম আসে। কেননা টেকনোলজি নিয়ে যাদের জানার আগ্রহ রয়েছে কিংবা কোন সমস্যায় পড়ে হয়তো অনেকেই এই ধরনের ভিডিওগুলো দেখে থাকেন।

আবার জন্ম নিবন্ধন, আইডি কার্ড এই সকল টেকনিক্যাল বিষয়ে যারা নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে থাকেন তাদের ভিডিওতে প্রচুর ভিউ হয়ে থাকে। কেননা এই টপিকটি হচ্ছে এক ধরনের ট্রেন্ডিং টপিক। এই টপিকে অনেক হাই সার্চ ভ্যালু আলা কিওয়ার্ড  রয়েছে এবং যেগুলো অনেক বেশি সার্চ হয়ে থাকে।

তাই এই ধরনের নিশ নিয়ে যারা কাজ করে থাকেন তাদের ভিডিও খুব সহজেই ভাইরাল হয় এবং ভিডিওতে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়। তাছাড়া যারা নাটক, ফানি ভিডিও, ব্লগ, এই সকল বিষয় নিয়ে কাজ করে থাকেন তাদের ভিডিওতে অনেক ভিউ হয়ে থাকে। কেননা এই সকল ভিডিও ইউটিউবে অনেকেই দেখে আর এগুলো হচ্ছে অনেকটা বিনোদনমূলক ভিডিও তাই ভিউ বেশি এসে থাকে।

কিভাবে ইউটিউবে চ্যানেলে ভিউ বাড়বে

Youtube চ্যানেলে ভিউ বাড়ানোর উপায় ইতিমধ্যে আপনারা জেনে গিয়েছেন। তারপরেও ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে ভিউ বানানোর জন্য কয়েকটি পদ্ধতি আপনারা অবলম্বন করতে পারেন। নিচে দেওয়া এই সকল পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করার মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার ইউটিউব ভিডিওতে লাখ লাখ ভিউ নিয়ে নিতে পারবেন –

১. ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ইউটিউব ভিডিওতে ভিউ নেওয়া নেওয়া

আপনার যদি একটি বড় ফেসবুক পেজ থেকে থাকে তাহলে ফেসবুক পেজে নিয়মিত আপনার ইউটিউব ভিডিও গুলো শেয়ার করার মাধ্যমে ভিডিওতে ভিউ পাবে ।

তাছাড়া ফেসবুক পেজে থাকা ফলোয়ার গুলো আপনার ইউটিউব চ্যানেল সম্পর্কে জেনে যাবে এবং তারা নিয়মিত আপনাকে ইউটিউব চ্যানেলে আসবে নিত্য নতুন ভিডিও দেখার জন্য। তাহলে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারও বাড়বে এবং আপনার চ্যানেলের ভিডিওগুলোতে ভিউ বাড়বে।

২.ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে ইউটিউব চ্যানেল ভিউ বাড়ানোর উপায়

Youtube চ্যানেলের ভিডিওতে ভিউ বাড়ানোর আরেকটি চমৎকার উপায় হচ্ছে ফেসবুক গ্রুপ। বর্তমানে আপনারা অনেক ফেসবুক গ্রুপ কিনতে পেয়ে যাবেন।

যে সকল ফেসবুক গ্রুপে মিলিয়ন মিলিয়ন এক্টিভ মেম্বার রয়েছে এরকম গ্রুপে আপনি যদি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওগুলো শেয়ার করতে পারেন তাহলে মুহূর্তেই আপনার চ্যানেলের ভিডিওতে লাখ লাখ ভিউ হয়ে যাবে।

তাছাড়া গ্রুপে থাকা কোন মেম্বার যদি আপনার ভিডিও পছন্দ করে থাকে তাহলে আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে নিয়মিত চ্যানেলের ভিডিও দেখবে।

তাই যদি ইউটিউব চ্যানেলে অটো ভিউ আনতে চান তাহলে একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলতে পারেন অথবা একটি বড় ফেসবুক গ্রুপ কিনে আপনার ভিডিও গুলো শেয়ার করতে পারেন।

৩.আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার দের কে নিয়ে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ করুন

অনেক ইউটিউবার রয়েছে যারা নিজেদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারদেরকে নিয়ে টেলিগ্রাম গ্রুপ করে থাকেন। এই গ্রুপে সাবস্ক্রাইবাররা তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দেওয়ার জন্য ইউটিউব চ্যানেলের অ্যাডমিনের সাথে লাইভ চ্যাট সহ লাইভ কথা বলতে পারেন।

এতে করে ইউটিউব চ্যানেলের এডমিনের সাথে সাবস্ক্রাইবাররা খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারেন এবং তাদের সমস্যার সমাধান পেয়ে থাকেন।

তাছাড়া নতুন কোন ভিডিও ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড হলেই টেলিগ্রাম গ্রুপে ভিডিওটি চলে আসে। যার মাধ্যমে খুব সহজেই টেলিগ্রাম গ্রুপের ইউজাররা ভিডিওটি দেখে তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারেন।

আর টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত থাকা ইউজাররা নতুন ইউজার নিয়ে আসে। তাই যারা Youtube চ্যানেলে অটো ভিউ বা ভিউ বাড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা চাইলে তাদের টার্গেটেড সাবস্ক্রাইবারদের কে নিয়ে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ খুলতে পারেন।

৪. সময় মত Youtube এ ভিডিও আপলোড করতে হবে

ইউটিউব চ্যানেলে সময় মতো ভিডিও আপলোড করতে পারলে ভিডিওতে ভিউ বাড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। কেননা কোন Youtube ভিডিও ছাড়ার পর প্রথম ২ ঘন্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই ঘন্টার “Impression Click Rate” আপনার ভিডিওটিকে ভাইরাল করতে সাহায্য করে থাকে।

তাই এমন সময় আপনার ভিডিওটি পাবলিশ করতে হবে যে সময়ে আপনার অধিকাংশ সাবস্ক্রাইবার একটিভ থাকে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থাৎ যারা বাংলাদেশকে টার্গেট করে Youtube চ্যানেল তৈরি করেছেন তারা চাইলে বিকাল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে ভিডিও পাবলিশ করতে পারেন। কেননা এই সময়ে মানুষ একটু অনলাইনে বেশি থাকে।

আপনার পাবলিশ করা ভিডিওটি যদি সাবস্ক্রাইবার এর কাছে যাই তাহলে সে অনলাইনে থাকলে মুহূর্তের মধ্যেই ভিডিওটি চালু করবে এবং ভিডিওটি দেখবেন। এতে করে আপনার ভিডিওটি আরও একজনের কাছে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও সময় মত পাবলিশ করতে হবে।

 আমাদের শেষ কথা,

ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ বাড়ানোর উপায় বা যারা খুব সহজেই নিজের ইউটিউব চ্যানেলটিকে ভাইরাল করতে চান আশা করি আজকের পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে সেই বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। উপরের দেওয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং সঠিকভাবে যদি কাজ করে যেতে পারেন তাহলে খুব সহজেই নিজের ইউটিউব চ্যানেলটিকে বড় করতে পারবেন এবং youtube থেকে ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

পোস্টটি পড়ে কোন বিষয় সম্পর্কে যদি বুঝতে অসুবিধা হয়ে থাকে তাহলে সরাসরি কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আপনার প্রশ্নটি খুবই দ্রুত সময়ের মধ্যে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আর পোস্টটি পড়ে যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিবেন।

2 thoughts on “ইউটিউব ভিডিওর ভিউ বাড়ানোর উপায় (ভাইরাল করার টিপস) আপডেট”

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top