মোবাইলে ফটো এডিটং করার অ্যাপস (Best Editing Apps)

বর্তমান সময়ে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে অনেক বেশি সময় কাটিয়ে থাকেন । আর এইসব সকল সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, প্রোফাইলে যখন আমরা কোন ছবি শেয়ার করি সেগুলো কে আগে সুন্দর করে এডিট করে নিই।এন্ড্রয়েড মোবাইলে ফটো এডিটিং করার জন্য যেমন পেইড অ্যাপ রয়েছে তেমনি ফ্রী ও কিছু অ্যাপ এর মাধ্যমে ফটো এডিটিং করা যায়। 

এই সকল অ্যাপ গুলো ব্যবহার করে ছবিগুলোকে সুন্দর করে এডিট করে অনেক আকর্ষনীয় করে তোলা যায়। এই ফ্রী অ্যাপ গুলোর গুগল প্লে স্টোর থেকে খুব সহজেই ডাউনলোড করে নেওয়া যায়। 

যারা এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন এবং ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম এ বেশি বেশি শেয়ার করতে পছন্দ করেন তারা ফটো এডিটিং করার জন্য সেরা কিছু অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।

মোবাইলে ফটো এডিটং করার অ্যাপস
মোবাইলে ফটো এডিটং করার অ্যাপস

আজকের পোস্টের মাধ্যমে মোবাইলে ফটো এডিটিং করার অ্যাপ বা এন্ড্রয়েড মোবাইলে ফটো এডিটিং করার জন্য সেরা কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে জানতে পারবেন। যেগুলো ব্যবহার করে ছবি গুলোকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা যাবে। 


অবশ্যই দেখবেন: 


মোবাইলে ফটো এডিটিং করার অ্যাপ/best photo editing app

আমি নিচে বর্তমান সময়ের সেরা কিছু ফটো এডিটিং করার অ্যাপ সম্পর্কে বলবো যে অ্যাপ গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে ছবিগুলোকে অনেক সুন্দর করতে পারবেন। তাছাড়া এই অ্যাপ গুলো আপনারা ফ্রিতেই ব্যবহার করতে পারবেন।

১.PhotoDirector

এন্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য যদি ফটো এডিটিং অ্যাপ এর কথা বলা হয় তাহলে সেখানে Photodirector অ্যাপটিকে রাখতেই হবে। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনার তোলা ছবিটি কে খুব সুন্দরভাবে এডিটিং করা যাবে এবং আপনার লুককে আকর্ষণীয় করে তোলা যাবে। 

তাছাড়া এই অ্যাপটিতে বিভিন্ন ধরনের এডিটিং টুলস ব্যবহার করা হয়েছে। অ্যাপটিতে ব্যবহার করা এডিটিং টুলস এর মধ্যে রয়েছে Fliters, Lite affect,coller editing,collage maker যেগুলো ব্যবহার করে ছবিটিকে অনেক অ্যাট্রাক্টিভ করে তোলা যাবে। 

এই অ্যাপটি খুব সহজেই গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড বা ইন্সটল করা যাবে। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটির রেটিং ৪.৬ তাছাড়া এই অ্যাপটি লক্ষাধিক বারেরও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। 

২.Phototune

মোবাইলে ফটো এডিটিং করার জন্য অসাধারণ যত এতে রয়েছে তাদের কাতারে এই অ্যাপটিকে রাখতে হবে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনার তোলা ছবি খুব সহজেই অ্যাট্রাক্টিভ এবং আকর্ষণীয় করে তোলা যাবে।

আ্যাপটিতে ব্যবহার করা এডিটিং টুলস এর মধ্যে enhance,beautify,hdr,colurise ফিচার ব্যবহার করে ছবিগুলো আকর্ষণীয় করা যায়। তখন চাইলে এই ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায়। 

গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপসটি খুব সহজেই ডাউনলোড করা যাবে। এই অ্যাপটির রিভিউ রেট হচ্ছে ৪.২ এবং এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে 10 লক্ষ বারেরও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। 

৩.Airbrush -মোবাইলে ফটো এডিটিং করার অ্যাপ 

যেকোনো ছবিকে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় করে সবার সামনে যদি তুলে ধরতে চান তাহলে এই ফটো এডিটর অ্যাপ আপনারা ব্যবহার করতে পারেন। আমি নিজে এই অ্যাপটি ব্যবহার করে থাকি ফটো এডিটিং করার জন্য এবং আমার কাছে এই অ্যাপটি দারুন লেগেছে। 

আমি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে ফটো শেয়ার করার আগে এই একটা দিয়ে সুন্দর করে এডিটিং করে নেই যার কারণে আমার ছবিগুলো অনেক অ্যাট্রাক্টিভ লাগে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনি চাইলে ফটো গুলোতে বিভিন্ন স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করতে পারবেন। 

তাছাড়া অ্যাপটিতে ব্যবহার করা অন্যান্য এডিটিং টুলস এর মধ্যে রয়েছে Perfect and Smooth Skin,Whiten teeth,Brithten eyes ইত্যাদি সব মজার ফিচার। এই অ্যাপটি এতটাই বেশি জনপ্রিয় যে গুগল প্লে স্টোরে এর রিভিউ রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.৮। তাছাড়া এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর থেকে প্রায় ১০ লক্ষ বারেরও বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। 

৪.PixelLab app

ফটো এডিটিং অ্যাপ এর কথা বলা হবে আর সেখানে পিক্সেল ল্যাবের নাম থাকবে না তা কি করে হয়। পিক্সেল লাভ হচ্ছে ফটো এডিটিং করার জন্য খুবই জনপ্রিয় একটি অ্যাপ্লিকেশন। যারা সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে বা নিজের ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট এর ছবি পাবলিশ করতে চান তারা এই অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপটি ব্যবহার করে ছবি সুন্দর মত এডিট করে নিতে পারেন।

Pexel lab অ্যাপ এর বিশেষত্ব হচ্ছে এটি খুব সহজেই ব্যবহার করা যায় এবং এটি ব্যবহারের নিয়মও খুব সোজা। এই অ্যাপটির রিভিউ রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.৩ এবং গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ৫০ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। 

আকর্ষণীয় এই অ্যাপটির ফিচার গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ছবিতে pencil sketch, poster, watercolor এর সুবিধা গুলো পাবেন এবং এক ক্লিকে auto-fix করে কালার একজাস্ট করতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে চলে গেলে পিক্সেল লাভ লিখে সার্চ করলে খুব সহজেই অ্যাপটি ইন্সটল করা যাবে।

৫.Photoshop Express

Adobe কোম্পানির এই অ্যাপটি যত ফটো এডিটিং অ্যাপ রয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এই অ্যাপটি দিয়ে খুব সহজেই প্রফেশনাল ভাবে যেকোন ধরনের ফটো এডিটং করা যাবে। 

সর্বপ্রথম অ্যাপটি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এই অ্যাপটির মধ্যে রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফিচার যেমন:-JPEG, Raw, PNG এই ফাইল গুলো ব্যাবহার করে সুন্দরভাবে ফটো এডিটিং করতে পারবেন।

যারা তাদের জিমেইল এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট Adobe দিয়ে লগইন করবেন তারা খুব সহজেই এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।এই অ্যাপটির নতুন সব ফিচার গুলোর মধ্যে রয়েছে সেলফি থেকে স্পট দূর করার জন্য শর্ট হেলিং ফাংশন এবং ফটো Sharp করার অপশন রয়েছে। তাছাড়া অ্যাপটিতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে যেগুলো আপনারা ব্যবহার না করলে বুঝতে পারবেন না। 

গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করা যাবে এবং এর বর্তমান রিভিউ রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.৫। তাছাড়া গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ্লিকেশনটি ১০০ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। 

৬.Snapseed -মোবাইলে ফটো এডিটিং করার অ্যাপ 

যারা ফটো তুলতে পছন্দ করেন এবং ফটো এডিটিং করতে ভালোবাসেন তারা অবশ্যই এই অ্যাপটির নাম আগে শুনেছেন। ফটো এডিটিং করার জন্য এই অ্যাপটি হচ্ছে বর্তমান সময়ের সেরা একটি অ্যাপ। অসাধারণ এই অ্যাপটি গুগোল নিজে পরিচালনা করে থাকে। 

এই অ্যাপটিতে ২৯ টির ও বেশি নতুন টুলস এবং ফিচার রয়েছে যেটি ব্যবহারকারীদের উত্তম সুবিধা প্রদান করে থাকে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের ফটো প্রফেশনালি আপনারা এডিটিং করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে একটি কতটা জনপ্রিয় সেটি গুগল প্লে স্টোরে এর রিভিউ রেটিং দেখলে আপনারা বুঝতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এর বর্তমান রিবন রেটিং পয়েন্ট ৪.৫। তাছাড়া এই অ্যাপসটি ১০০ মিলিয়নের বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। তাই যদি ফটো এডিটিং করার জন্য অ্যাপ্লিকেশন খুঁজে থাকেন তাহলে এই অ্যাপটি আপনারা ব্যবহার করতে পারেন। 

আরও পোস্ট দেখতে পারেন: 



৭.Picsart studio

মোবাইল দিয়ে যারা ছবি এডিট করতে চান তাদের জন্য এই অ্যাপটি সেরা হতে পারে। এই অ্যাপটির মাধ্যমে খুব সহজেই যেকোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সেট করা যায়। একটি ছবিকে জীবন্ত এবং প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য যে সকল ধরনের ফিল্টার প্রয়োজন সবকিছুই আপনারা এই অ্যাপসটিতে পাবেন।

এই অ্যাপটিতে রয়েছে তিন হাজারেরও বেশি টুলস যা কোনো ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ ব্যবহার সুবিধা দিয়ে থাকে। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনারা ছবি এডিটিং থেকে শুরু করে ভিডিও এডিটিং পর্যন্ত করতে পারবেন। 

এই অ্যাপটির ফ্রি ভার্সন এবং পেইড ভার্সন রয়েছে। আপনারা চাইলে ফ্রি ভার্সন টা ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপটির আকর্ষণীয় ফিচার গুলোর মধ্যে টাচ ইফেক্ট,ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার,অবজেক্ট রিমুভার,২০০+ টেক্সট ফন্ট,ক্রপ, কোলাজ, ড্র, স্টিকার, বিল্ট ইন ক্যামেরা ইফেক্ট উল্লেখযোগ্য।

এই অ্যাপটি কতটা জনপ্রিয় তা আপনারা সরাসরি গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন। অ্যাপটির বর্তমান রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে ৪.৩ এবং এটি গুগল প্লে স্টোর থেকে ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। 

৮.youCam Makeup

ফটো এডিটিং করার জন্য এই অ্যাপটি দারুন একটি অ্যাপ। এই অ্যাপটির বিশেষত্ব হচ্ছে খুব সহজেই এটি ব্যবহার করা যায়। যারা অনেক আগে থেকে ফটো এডিটিং করেন তারা অবশ্যই এই অ্যাপটির সাথে অনেকেই পরিচিত। 

এই অ্যাপটি দীর্ঘদিন ধরে তাদের সার্ভিস দিয়ে আসছে। অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনারা যে কোন ছবি প্রফেশনাল করে তুলতে পারবেন। তাছাড়া অ্যাপটিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফিচার যার কারণে এটি অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। 

তাছাড়া যেকোনো ছবিকে জীবন্ত করে তোলার জন্য এখানে রয়েছে নানান ধরনের ফিল্টার। যে ফিল্টার গুলো ব্যবহার করে আপনারা যেকোনো ছবিকে অ্যাট্রাক্টিভ করে তুলতে পারেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ১০০ মিলিয়নের বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। অ্যাপটির বর্তমান রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে 4। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে অ্যাপটির নাম লিখে সার্চ করলে খুব সহজেই সেখান থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

৯.Airbrush -মোবাইলে ফটো এডিটিং করার অ্যাপ 

ছবি এডিট করার জন্য এই অ্যাপটি খুবই অসাধারণ একটি অ্যাপ। এই অ্যাপটিতে ব্যবহার করা হয়েছে সাধারণ নানান ধরনের ফিল্টার। যেগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই যেকোনো ছবিকে জীবন্ত করে তোলা সম্ভব। 

আমি নিজে কয়েকদিন এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করেছি এবং আমার কাছে এই ফটো এডিটিং একটি অসাধারণ লেগেছে। যেকোনো ব্যক্তি চাইলে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে খুব সহজেই এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।

গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ১০ মিলিয়নের বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারছেন যে এই অ্যাপটি কতটা জনপ্রিয় একটি অ্যাপ । তাছাড়া গুগোল প্লেস্টরে এই অ্যাপটির বর্তমান রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে 4.3।

তাই যারা প্রফেশনাল ভাবে ছবি এডিটিং ফটো এডিটিং করতে চান তারা চাইলে সরাসরি গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপটি ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারেন।

১০.Bonfire Photo Editor pro

মোবাইলে ফটো এডিটিং করার অ্যাপ গুলোর মধ্যে এই অ্যাপটি অনেকের পছন্দের। যারা নিজের ফটো গুলোতে বিশেষ ধরনের এফেক্ট ব্যবহার করতে চান তারা এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।এই এপ্সটি তে আপনারা ১১০ টির ও বেশী ইফেক্ট সুবিধা পাবেন যা আপনার ছবিগুলো কে আকর্ষণীয় করে তুলতে জরুরী।

তাছাড়া আপনার face এ যদি কোনো ধরনের দাগ থেকে থাকে সেটাও এখান থেকে অটো ফিচারস এর মাধ্যমে খুব সহজেই সরানো যাবে। এই অ্যাপটি একবার যারা ফটো এডিটিং করার জন্য ব্যবহার করবে তারা পরবর্তীতে আর কোন এপ্লিকেশন ব্যবহার করবে না। 

তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারছেন যে ফটো এডিটিং করার জন্য এই অ্যাপটিতে কত ধরনের ফিচার এবং সুবিধা রয়েছে। তাছাড়া এই অ্যাপটি কতটা জনপ্রিয় সেটা আপনারা গুগোল প্লে স্টরে এর রেটিং পয়েন্ট দেখলেই বুঝতে পারবেন। গুগল প্লে স্টোরে এর বর্তমান রেটিং পয়েন্ট হচ্ছে 4.6। তাছাড়া এটি ১ লক্ষেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে। তাই যারা ফটো এডিটিং করার জন্য সেরা অ্যাপ্লিকেশন খুঁজছেন তারা এটি ব্যবহার করতে পারেন। 

আমাদের শেষ কথা 

আশা করি আজকের পোস্টটি যারা পড়েছেন তারা মোবাইলে ফটো এডিটিং করার অ্যাপ বা সেরা কিছু ছবি এডিটিং অ্যাপস সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যে অ্যাপ গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার ছবিগুলো কে অনেক অ্যাট্রাক্টিভ এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবেন। উপরের সেরা দশটি অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে থেকে আপনি যেকোনো একটি এপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন।

আমাদের পোস্টটি পড়ে যদি কোন বিষয় সম্পর্কে বুঝতে না পেরে থাকেন তাহলে আমাদেরকে সরাসরি কমেন্ট করে জানাতে পারেন এবং আমাদের পোস্টটি পড়ে যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ। 

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top