অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম ও ডাউনলোড করার উপায়

ভোটার আইডি কার্ড দেখার নিয়ম ২০২১:  বর্তমানে NID বা ভোটার আইডি কার্ড আমাদের সবারই দরকার। আজকাল সিম কেনার জন্যও ভোটার আইডি কার্ড দরকার হয়। অনেক সময় অনেকের ফেইসবুক আইডি ভেরিফাই এর জন্যও ভোটার আইডি কার্ড দরকার হয়। আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের দেখাবো কিভাবে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করবেন এবং আইডি কার্ড এর অনলাইনের কপি কিভাবে নিবেন। চলুন তাহলে শুরু করা যাক।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম

আর্টিকেল সূচি

ভোটার আইডি কার্ড চেক ২০২১ | আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই

আমাদের এই পোস্টে আমরা ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম ২০২১ খুব সহজ ভাবে দিয়ে দিয়েছি। আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ড চেক বা ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন। আমরা পোস্ট এর নিচের দিকে ভোটার আইডি কার্ড দেখার নিয়ম ২০২১ সম্পর্কিত লোকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছি। তাছাড়াও আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে নিচের কমেন্ট বক্সে গিয়ে কমেন্ট করুন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড বের করা জন্য প্রথমেই ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে হবে চলুন দেখে নিই। কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড চেক করবেন।

ভোটার আইডি কার্ড চেক করবেন কিভাবে?| অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন

আপনি যখন আপনার ভোটার তথ্য হালনাগাদ করবেন তখনর আপনার পূরণকৃত ফরমের একটি অংশ আপনাকে দেওয়া হবে। এটির মধ্যে একটি ফরম নম্বর থাকবে তা আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে।যদি আপনার ইতিমধ্যেই ভোটার আইডি কার্ড রয়েছে আপনি ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তাহলে আপনার শুধু আইডি কার্ড নম্বরটি থাকলেই হবে।

দেখতে পারেন: 

যাদের ভোটার আইডি কার্ড নেই তারা কীভাবে ভোটার আইডি কার্ড চেক করবে? । ভোটার আইডি কার্ড দেখার নিয়ম

১) প্রথমেই এই লিংকে যাবেন।

২) উপর থেকে ফর্ম নম্বরে ক্লিক করবেন।

ভোটার আইডি কার্ড দেখার নিয়ম

৩) তারপর “এন.আই.ডি অথবা ভোটার নিবন্ধনের ফরম নম্বর ” লিখা বক্সে আপনার ফরম নম্বরটি দিন।

ভোটার আইডি কার্ড দেখার উপায়

৪) জন্মের তারিখ দিন যেটা আপনি হালনাগাদের সময় অর্থাৎ আপনার ভোটার ফরম পূরণের সময় দিয়েছেন।

৫) তারপর ক্যাপচা ফিল আপ করে “ভোটার তথ্য দেখুন ” বাটনে ক্লিক করুন।

তারপরে আপনার ভোটার তথ্য গুলো এমন ভাবে দেখাবে। 

এন.আই.ডি কার্ড দিয়ে কীভাবে ভোটার আইডি চেক করবেন? | আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই সরাসরি

১) এই লিংকে যাবেন

২) উপর থেকে এন.আই.ডি সিলেক্ট করবেন।

ভোটার আইডি কার্ড দেখার উপায় ২০২১

তারপরে উপরোক্ত নিয়ম গুলো অনুসরণ করে আপনার ভোটার আইডি তথ্য চেক করতে পারবেন।

আসা করি এখন ” নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে” এই সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থাকবে না।

কিভাবে ভোটার আইডি অনলাইন কপি ডাউনলোড করবেন? | নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে

ভোটার আইডি অনলাইন কপি ডাউনলোড বলতে ভোটার আইডির স্ক্যান কপি ডাউনলোড করাকে বোঝায়।বর্তমানে আমাদের যেকোন জায়গায় যেকোন সময় ভোটার আইডি প্রয়োজন হতে পারে।কিন্তু ভোটার আইডি কার্ড আমাদের সাথে সবসময় না থাকতেও পারে।

তাই যদি মোবাইলে ভোটার আইডি ডাউনলোড করে রাখেন তাহলে বিশেষ প্রয়োজনে তা অনেক কাজে দিবে। আবার অনেকেই ভোটার আইডির জন্য হালনাগাদ বা রেজিষ্ট্রেশন করে রাখেন কিন্তু তাদের কার্ড আসতে অনেক দেরি হয়।

এক্ষেত্রে তারাও মোবাইলে ভোটার আইডির অনলাইন কপি ডাউনলোড করে তাদের যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।তাহলে চলুন দেখে আসি কিভাবে ভোটার আইডির অনলাইন কপি ডাউনলোড করবেন। 

ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড এর জন্য চারটি স্টেপ ফলো করতে হবে।

  • রেজিষ্ট্রেশন 
  • মোবাইল ভেরিফিকেশন
  • লগ ইন 
  • ডাউনলোড 

ভোটার আইডির অনলাইন কপি ‘র জন্য রেজিষ্ট্রেশন 

১) প্রথমে এই লিংকে যাবেন→ https://services.nidw.gov.bd/registration

২) তারপরে “রেজিষ্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে চাই” লিখায় ক্লিক করবেন। 

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড দেখার উপায় ২০২১

৩) তারপরে এমন ইন্টারফেস দেখবেন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড দেখার উপায়

৪) রেজিষ্ট্রেশন করুন লিখায় ক্লিক করবেন। 

৫)তারপরে এমন একটি ফরম আসবে আপনার সামনে।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায়

৬) এখানে প্রথমে আপনার ভোটার আইডি নম্বর দিতে হবে।যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড থাকে তাহলে ওখান থেকে দিবেন। যদি ভোটার আইডি কার্ড এখনো না পান তাহলে ভোটার আইডি কার্ড চেক করার সময় ওখানে আপনার ভোটার তথ্যে আইটি নম্বর দেওয়া ছিল ওখান থেকে সংগ্রহ করবেন।

৭) তারপর আপনার মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল এড্রেস দিবেন।

৮) আপনার স্থানীয় ঠিকানা বর্তমান ঠিকানা সকল কিছু ঠিকঠাক বসিয়ে নূন্যতম ৮ অক্ষর এবং সর্বচ্ছ ১২ অক্ষরের একটি কঠিন পাসওয়ার্ড দিয়ে ক্যাপচা ফিল আপ করবেন এবং রেজিস্ট্রার লিখায় ক্লিক করবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায়

প্রথম ধাপ শেষ। এখন পরবর্তী ধাপ।

ভোটার আইডির অনলাইন কপি ‘র জন্য মোবাইল ভেরিফিকেশন

১) তারপরে আপনার সমনে এমন একটি ইন্টারফেস আসবে।

ভোটার আইডি কার্ড দেখার নিয়ম ২০২১

২) আপনি যেই নম্বরটি দিয়েছেন ঐ নম্বরে একটি কোড গিয়েছে যা এই খানে দিতে হবে।এক্ষেত্রে কোড যেতে একটু সময় লাগতে পারে।

৩) কোড দেওয়ার পর “রেজিস্ট্রার লিখায় ক্লিক করুন।

এই ধাপ শেষ এখন আসা যাক সর্ব শেষ ধাপে

ভোটার আইডির অনলাইন কপি ‘র জন্য লগ ইন

আপনার সামনে এমন একটি ইন্টারফেস আসবে। 

ভোটার আইডি কার্ড চেক

১)এখানে আপনি এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, পাসওয়ার্ড দিবেন (আগের স্টেপে যেই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেছিলেন সেটিই দিবেন) 

২)তারপর ভেরিফিকেশন কোর্ড ইমেইলে নাকি মোবাইল পাঠাবে তা সিলেক্ট করতে হবে।

৩) তারপর ক্যাপচা ফিল করে ” সামনে” লিখায় ক্লিক করবেন।

তারপরে এমন একটি ইন্টারফেস দেখবেন। আপনার মোবাইল /ইমেইলে একটি কোড পাঠানো হবে তা এই জায়গায় বসাকে হবে। তারপর “লগ ইন ” লিখায় ক্লিক করবেন।

ভোটার আইডি কার্ড চেক করার উপায়

ভোটার আইডির অনলাইন কপি ডাউনলোড 

লগ ইন করার পর এমন ইন্টারফেস আসবে। ওখান থেকে “ডাউনলোড ” বাটনে ক্লিক করলে আপনার ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড হয়ে যাবে।

কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড চেক করব

এভাবেই অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন।

স্মার্ট কার্ড চেক এবং স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড| আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই

বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ডকে রূপান্তরিত করে স্মার্ট কার্ড করা হয়েছে। স্মার্ট কার্ড হলো এমন একটি কার্ড যেখানে আপনার ফিনগার প্রিন্ট থেকে শুরু করে চোখের রেটিনা পর্যন্ত সব ইনফরমেশন থাকবে। এসব ইনফরমেশন ছোট একটি সিম কার্ডের মতো যন্ত্রে থাকে যেটি আপনার আইডি কার্ডের সাথে সংযুক্ত থাকবে।

কাজেই এই স্মার্ট কার্ডটির হার্ড কপিই রয়েছে। কোন সফ্ট কপি কিংবা স্ক্যান কপি নেই। তাই স্মার্ট কার্ড অনলাইনে ডাউনলোড করা যাবে না।

দেখতে পারেন: 

১৮ বছরের নিচে যারা তারা কিভাবে আইডি কার্ড এর অনলাইন কপি বের করবেন?

বর্তমানে ভোটার হালনাগাদের সময় ১৬/১৭ বছর থেকে সকলেই ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারে কিন্তু ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত তারা কেউই তাদের আইডি কার্ড পায় না। অনেকেই এই সময় অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে চায় কিন্তু ১৮ বছরের নিচে ভোটার আইডি ডাউনলোড করার পদ্ধতি সম্পূর্ন ভিন্ন তার কারন হলো আপনি যদি ১৮ বছরের নিচে হন তাহলে আপনি সাধারণ নিয়মে আপনার ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে পারবেন না।

যদি ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে না পারেন তাহলে আপনি আপনার এন.আই.ডি নম্বর পাবেন না।কিন্তু ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে হলে এন.আই.ডি নম্বর খুব জরুরি। তাহলে চলুন দেখে নিই ১৮ বছরের নিচে হলে কিভাবে এন.আই.ডি নম্বর সংগ্রহ করবেন।

১৮ বছরের নিচে এন.আই.ডি নম্বর সংগ্রহ

আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন nid <form number > <date of birth >

অর্থাৎ প্রথমে nid লিখে তারপর স্পেস from নম্বর স্পেস জন্ম তারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠিয়ে দিন। 

তারপর ফিরতি একটি মেসেজে আপনার এন.আই.ডি নম্বর পাঠানো হবে। (এস এম এস আসতে দেরি হতে পারে)।  এখন আপনি আগের নিয়মেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন কারন বাকী তথ্য গুলো আপনার কাছে রয়েছে। 

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন সম্পর্কিত প্রশ্ন এবং উত্তর

প্রশ্ন:- একটি আইডি কার্ড সর্বচ্চ কতবার সংশোধন করা যাবে?

উত্তর :- একটি ভোটার আইডি কার্ড সর্বচ্চ ১ বার সংশোধন করা যাবে।তাও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারন এবং উপযুক্ত ডকুমেন্টস থাকতে হবে তবেই সংশোধন করতে পারবেন।

প্রশ্ন :- ভোটার আইডি কার্ডে জন্ম তারিখ এবং সন কীভাবে সংশোধন করবেন?

উত্তর :- ভোটার আইডি কার্ডে অনেক সময় তথ্য ভুল দেওয়ার কারনে কিংবা তথ্য সঠিক দিলেও অনেক সময় অনেক তথ্য ভুল আসে। জন্ম তারিখ এবং সন যদি ভুল আসে তবে তা সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা কিংবা জেলা নির্বাচন অফিসে আপনার যাবতীয় ডকুমেন্টস সহকারে একটি আবেদন করতে হবে। 

প্রশ্ন:- জন্ম তারিখ/সন সংশোধন করতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়?

উত্তর:- জন্ম নিবন্ধন কিংবা আপনার কিছু সার্টিফিকেটও প্রয়োজন হতে পারে ক্ষেত্র বিশেষে। এটি আপনি নির্বাচন অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে জেনে নিবেন।

প্রশ্ন :- ভোটার আইডি কার্ডের স্বাক্ষর কীভাবে পরিবর্তন করবেন?

উত্তর:- স্বাক্ষর খুবই প্রয়োজনীয় একটি জিনিস ভোটার আইডি কার্ডের ক্ষেত্রে। তাই এটি শুধু মাত্র একবারই পরিবর্তন করতে পারবেন।এক্ষেত্রে আপনাকে নতুন স্বাক্ষরের নমুনা স্বাক্ষর পরিবর্তনের যৌক্তিক কারন এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং তথ্য সহকারে এ আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন:- ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের রক্তের গ্রুপ কিভাবে পরিবর্তন করবেন?

উত্তর:- জাতীয় পরিচয়পত্রের রক্তের গ্রুপ পরিবর্তনের জন্য আপনাকে রক্ত পরিক্ষা করে উক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট সহকারে একটি আবেদন করতে হবে। 

প্রশ্ন:- জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে  অন্য ব্যাক্তির তথ্য চলে আসলে কিভাবে সংশোধন করতে হবে?

উত্তর :- ভোটার আইডি কার্ডে অন্য ব্যাক্তির তথ্য চলে আসলে সেটি সংশোধনের জন্য আপনাকে জেলা নির্বাচন অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট থানায় একটি আবেদন করতে উপযুক্ত প্রমান এবং ডকুমেন্টসের সাথে।

প্রশ্ন :- যদি পরিবারের কয়েকজন সদস্যের একসাথে বাবা-মায়ের নাম ভুল হয় তাহলে তা কিভাবে সংশোধন করবো?

উত্তর :- যদি একই পরিবারের কয়েকজন সদস্যদের ক্ষেত্রে বাব-মা এর নাম ভুল হয় তাহলে সকলের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং উপজেলা ডকুমেন্টস সহকারে একটি আবেদন পত্র সংশ্লিষ্ট থানা কিংবা জেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। 

প্রশ্ন :- ভোটার আইডি কার্ডে ঠিকানা পরিবর্তন কিভাবে করবো?

উত্তর :- শুধু মাত্র বাসস্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন।এক্ষেত্রে আপনি যেই এলাকায় থাকেন সেই এলাকার উপজেলা কিংবা থানায় আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন:- বাবা-মায়ের নামের আগে মৃত যুক্ত করতে হলে কি করতে হবে?

উত্তর :- যদি বাবা-মায়ের নামের আগে মৃত যুক্ত করতে হয় তাহলে আপনাকে বাবা-মায়ের মৃত সনদ সহকারে একটি আবেদন করতে হবে। 

প্রশ্ন:- নিজের ডাক নাম এন.আই.ডি বা ভোটার আইডি কার্ডে যুক্ত হয়ে গেলে তা সংশোধনের জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে?

উত্তর :- নিজের ডাক নাম যদি ভোটার আইডি কার্ডে যুক্ত  হয়ে যায় তাহলে এসএসসি বা সমমানের সার্টিফিকেট, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে মেরিজ রেজিষ্ট্রি সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ডের সত্যয়িত কপি, ওয়ারিশ পত্র,ইউনিয়ন বা পৌর বা জাতীয় পরিচয়পত্রের অথবা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত তথ্য,এসব ডকুমেন্ট নিয়ে তা সংশোধন করতে হবে।

প্রশ্ন:- ভোটার আইডি কার্ডের ছবি অস্পষ্ট হলে তা কিভাবে পরিবর্তন করব?

উত্তর:- যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ছবি অস্পষ্ট হয় তাহলে আপনার নিজেকে উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন:- ভোটার আইডি কার্ডের পেশা পরিবর্তন করা যায়?

উত্তর:- হ্যা। ভোটার আইডি কার্ডে নিজের পেশা পরিবর্তন করতে হলে উপযুক্ত প্রমান এবং দলিল সহকারে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন:- বিয়ের পর বাবর নামের পরিবর্তে স্বামীর নাম কীভাবে যুক্ত করব?

উত্তর :- বিয়ের আগে ভোটার আইডি কার্ডে বাবার নাম থাকে বিয়ের পরে স্বামীর নাম যুক্ত করতে হলে বিয়ের কামিননামা সহ একটি আবেদন করতে নির্বাচন অফিসে। 

প্রশ্ন:- নতুন বিয়ে করলে কীভাবে স্বামীর নাম পরিবর্তন করবেন?

উত্তর :- এক্ষেত্রে প্রথম বিয়ের তালাকনামা এবং পরের বিয়ের কামিননামা সহ নির্বাচন অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট থানায় আবেদন করতে হবে। 

প্রশ্ন :- ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?

উত্তর :- ভোটার আইডি কার্ড কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের কোন প্রকার সংশোধন হলে তা নির্বাচন অফিসের ডাটাবেইজে সংরক্ষিত থাকে। 

প্রশ্ন:- জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের কোন তথ্য পরিবর্তন করতে হলে কি করতে হবে? 

উত্তর :- ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের কোন তথ্য সংশোধন করতে হলে আপনাকে ঐ সংশোধনের পক্ষে উপযুক্ত প্রমান এবং তথ্য জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।

ভোটর আইডি কার্ড হরিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং উত্তর

প্রশ্নঃ- জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে কিভাবে ফিরে পাব?

উত্তরঃ- ভোটার আইডি কার্ড বা জানতে পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে আপনাকে নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে এবং তার মূল কপি সহকারে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাচন অফিসার বা ঢাকা জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে। 

প্রশ্নঃ- হারানো আইডি কার্ড ফিরে পেতে কিংবা আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে কোন ফি লাগে?

উত্তরঃ- এখনও পর্যন্ত হারানো আইডি কার্ড ফিরে পেতে কিংবা আইডি কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে কোন প্রকার ফি লাগে না কিন্তু ভবিষ্যতে লাগতেও পারে তা সম্পর্কে এখন সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে না।

প্রশ্নঃ- একই সাথে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এবং পুনরুদ্ধার করা যাবে?

উত্তরঃ- না। প্রথমে হারানো ভোটার আইডি কার্ড পুনরুদ্ধার করতে হতে তারপর আপনি তা সংশোধন করতে পারবেন।

প্রশ্নঃ- হারানো ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?

উত্তরঃ- হারানো ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে হলে আগে আইডি কার্ডটি তুলতে হবে।তারপর সংশোধনের পক্ষে সকল তথ্য এবং উপযুক্ত ডকুমেন্টস সহকারে আবেদন করতে হবে। 

প্রশ্নঃ- জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন ডকুমেন্টস নেই সেই ক্ষেত্রে কীভাবে হারানো ভোটার আইডি কার্ড উদ্ধার করব?

উত্তরঃ- যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে যায় এবং কোন ডকুমেন্টস আপনার কাছে না থাকে তাহলে প্রথমেই যেকোন ভাবে আপনার এন.আই.ডি নম্বরটা খুজে বের করতে হবে।তারপরে নিকটস্থ থানায় জিডি করে নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড নিবন্ধন সংক্রান্ত প্রশ্ন এবং উত্তর:- 

প্রশ্ন:- বিদেশ থেকে কিভাবে বাংলাদেশের ভোটার আইডি কার্ডের জন্য নিবন্ধন করব?

উত্তর :- যদি আপনি বিদেশ থাকেন এবং ভোটার আইডি কার্ডের জন্য নিবন্ধন করতে চান তাহলে আপনাকে বাংলাদেশ পাসপোর্টের ফটোকপি, জন্ম সনদ, এসএসসি সমমানের সার্টিফিকেট, নাগরিকত্ব সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউলিটি বিলের অনুলিপি, বাড়ি ভাড়া কিংবা হোল্ডিং ট্যাক্স এর রশিদের কপি সহ সংশ্লিষ্ট থানা কিংবা জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। এবং ওখানে একটি ফরম দিবে যেটি সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।

প্রশ্নঃ- আমি বিদেশ থাকলে আমার ভোটার আইডি কার্ড অন্য কেউ সংগ্রহ করতে পারবে?

উত্তরঃ- হ্যা। সেক্ষেত্রে আপনার ক্ষমতা প্রাপ্ত প্রতিনিধিকে authorise latter নিয়ে তবেই সে আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবে।

প্রশ্নঃ- অনেকের ভোটার আইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের আবার অনেকের ১৭ ডিজিটের কেন হয়?

উত্তর :- যারা ২০০৮ সালের আগে ভঁটার আইডি কার্ড বানিয়েছেন তাদের এন.আই.ডি নম্বর ১৩ ডিজিটের কিন্তু ২০০৮ সালের পর তা আপডেট দিয়ে ১৭ ডিজিটের করা হয়ে। তাই ২০০৮ সালের পর যারা ভোটার আইডি কার্ড বানিয়েছেন তাদের ভোটার আইডি নম্বর ১৭ ডিজিটের।

প্রশ্নঃ- একজন ব্যাক্তিকি একাধিক নামে ভিন্ন তথ্য দিয়ে একাধিক ভোটার আইডি কার্ড নিতে পারবে?

উত্তরঃ- না। একজন ব্যাক্তি শুধুমাত্র একটি ভোটার আইডি কার্ড বানাতে পারবে এবং সেই ক্ষেত্রেও তার তথ্যের নির্ভুলতা অনেক ভাবেই যাচাই করা হবে।

আর একজন ব্যাক্তি ভোটার আইডি কার্ড তৈরির সময় তার আঙুলের ছাপ নেওয়া হয় যার ফলে সে পরে আর ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করতে পারেনা কারন নির্বাচন অফিসে তার আঙুলে ছাপ জমা রয়েছে।তারা সেটির মাধ্যমেই সহজেই বুঝতে পারবে কেউ একাধিক ভোটার আইডি কার্ড তৈরীর চেষ্টা করলে।এবং এর বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধে মামলাও হতে পারে।

প্রশ্নঃ- আমি কি আমার বয়স কমিয়ে বা বাড়িয়ে দিতে পারব?

উত্তরঃ- আমরা অনেকেই চাকরির মেয়াদ বড়বার জন্য কিংবা আরো অনেক কিছুর জন্য চায় ভোটার আইডি কার্ডে বয়স কমিয়ে দিতে চায়। যেটি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি করার উপায়ও বর্তমানে প্রায় নেই বললেই চলে কারন ভোটার আইডি কার্ড তৈরির সময় সকল তথ্যের সত্যতা অনেক ভাবে যাচাই করে।

আর এটি না করার নির্দেশনা রইল।এটি করতে গিয়ে যদি আপনি ধরা পরেন তবে আপনার শাস্তি হবে কারণ আইন অনুযায়ী এটি একটি অপরাধ। 

প্রশ্নঃ- এই আধুনিক যুগে ভোটার আইডি কার্ডের কেমন গুরুত্ব? 

উত্তরঃ- ভোটার আইডি কার্ড শুধু ভোট দেওয়ার জন্যই নয় এটি হলো আপনার নিজের একটি জাতীয় পরিচয় পত্র। তাই সব সময়ই প্রত্যেক মানুষেরই এটি দরকার হয় হোক সে যতই আধুনিক। বর্তমানে ফেইসবুক আইডি ভেরিফাই এর জন্যও প্রয়োজন হচ্ছে ভোটার আইডি কার্ড। ফ্রিলেন্সিং করার জন্যও ভোটার আইডি কার্ড প্রয়োজন হয় কিছু ক্ষেত্রে। তাই সব যতই আধুনিক হোক না কেন ভোটার আইডি কার্ড কিংবা জাতীয় পরিচয় পত্র সকলের জন্যই একটি অতি প্রয়োজনী জিনিস।

প্রশ্নঃ- ভোটার আইডি কার্ড চেক কিংবা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড কি মোবাইল দিয়ে করতে পারব?

উত্তরঃ- হ্যা। উপরের দেখানো পুরো প্রক্রিয়া গুলো অনুসরণ করে আপনি মোবাইল দিয়েই ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন এবং মোবাইল দিয়েই ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে পারবেন। 

প্রশ্নঃ- আমার ১৮ বছর হয়ে গেছে কিন্তু এখনো ভোটার আইডি কার্ড পাইনি। ভোটার আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য কি করতে হবে?

উত্তরঃ- যদি আপনার ১৮ বছর হয়ে থাকে তাহলে আপনি ভোটার আইডি কার্ডের জন্য উপযুক্ত হয়েছেন। তাই আপনাকে প্রথমে একটি আবেদন করতে হবে যেখানে জন্ম সনদ সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস যুক্ত থাকতে হবে।

তারপর নির্বাচন অফিসে আপনাকে উপস্থিত থেকে ছবি তুলতে হবে এবং আপনার আঙুলের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে।তারপর নির্দিষ্ট সময় পর আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি হাতে পাবেন। (বর্তমানে গ্রাম ও শহর পর্যায়ে নির্দিষ্ট সময় পর পর ভোটার হালনাগাদ করা হয় যেখানে ১৫ বছরের বেশি সকলেই আবেদন করতে পারে এবং নির্দিষ্ট একটি দিনে সকলে ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা পৌরসভায় হাজির হয়ে ছবি তুলে এবং আঙুলের ছাপ জমা দেয়। আপনি চাইলে এভাবেও আবেদন করে ভোটার আইডি কার্ড পেতে পারেন) 

প্রশ্নঃ- অনলাইন থেকে যে ভোটার আইডি কার্ড পাবঁ সেটি হলো সফ্ট কপি, আমি ওটা থেকে হার্ড কপি বের করতে পারব?

উত্তরঃ- হ্যা আপনি ঐ অনলাইন কপিটিকে প্রিন্ট আউট করে লেমেনেটিং করে হার্ড কপি বানাতে পারবেন।

স্মার্ট কার্ড কি? এবং কেন ব্যবহার হয়?

কিছুদিন আগে ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্র ছিল এমন একটি কার্ড যেখানে আপনার যাবতীয় পরিচয় থাকবে।যেটি আপনার নাগরিকত্বের প্রমান ছিল। কিন্তু বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ডের ধারনায় এসেছে এক বিবর্তন।

বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয় পত্রে থাকে আঙুলের ছাপের এবং চোখের আইরিসের তথ্য যেটি ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে ছোট একটি সিম কার্ডের মতো জিনিসে সংরক্ষিত থাকে। এটির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্রে একজন মানুষের পরিচয় আগের তুলনায় আরও স্বচ্ছ হয়েছে।

এছাড়াও এই স্মার্ট কার্ডে আরও অনেক অত্যাধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে যেটি পূর্বের জাতীয় পরিচয় পত্র থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সুতরাং বলা যায় স্মার্ট কার্ড হলো পূর্ববর্তী জাতীয় পরিচয় পত্রের একটি পরিবর্তিত রূপ যেখানে যুক্ত রয়েছে কিছু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। এবং পূর্ববর্তী জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে যেসব কাজ করা হতো এই স্মার্ট কার্ড দিয়েও সে সকল কাজ করা যাবে।

ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি দিয়ে কি কি করা যাবে?

১) বিভিন্ন ফ্রিলেন্সিং মার্কেটপ্লেস ভেরিফাই :- বর্তমান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং স্মার্ট পেশার নাম হলো ফ্রিলেন্সিং। প্রায় সবাই দিন দিন এই পেশার দিকে ধাবিত হচ্ছে। ফ্রিলেন্সিং করার জন্য বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেমন:- ফাইভার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি।এসব মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে গেলে অনেক সময় ভেরিফিকেশন করতে হয় তখন ভোটার আইডি কার্ডের অথবা পাসপোর্টের ছবি দিতে হয়। আমাদের অনেকেরই পাসপোর্ট নেই তাই আমরা আমাদের ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করে সহজে এসব জায়গার ভেরিফিকেশনের কাজ করতে পারব।

২) বিকাশ কিংবা ব্যাংক একাউন্ট খোলাঃ- বর্তমানে অনলাইনে টাকা লেনদেনের সবচেয়ে বিখ্যাত মাধ্যম হলো বিকাশ কিন্তু এই বিকাশ একাউন্ট খুলতে ভোটার আইডি কার্ড প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আমরা অনলাইনের থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করে তা দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারি। এছাড়া ছাত্র জীবনে অনেকে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে চায় অর্থ সঞ্চয়ের জন্য সেক্ষেত্রে যদি ভোটার আইডি কার্ড প্রয়োজন হয় তাহলে অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে তা ব্যবহার করতে পারবেন।

৩) সিম কার্ড ক্রয় করতে:- বর্তমানে সিম কার্ড ক্রয় করতেও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে। সেক্ষেত্রে ভোটার আইডি কার্ড দরকার হয়। আপনার বয়স যদি ১৮ বছর হয় তাহলে আপনি খুব সহজে ভোটার আইডির অনলাইন কপি দিয়ে নিজের সিম নিজে কিনতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড দেখার নিয়ম ২০২১ পোস্ট এর সার্চ কিওয়ার্ড

  • আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই
  • নিজেই নিজের ভোটার আইডি কার্ড দেখবো কিভাবে
  • অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন
  • নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব
  • স্মার্ট কার্ড চেক ২০২১
  • ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন
  • আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাই সরাসরি
  • জাতীয় পরিচয় পত্র
  • NID card download
  • নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম
  • নতুন আইডি কার্ড কিভাবে দেখব
  • মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র
  • Nid নাম্বার দিয়ে পরিচয়
  • জাতীয় পরিচয় পত্র pdf
  • ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড ২০২১
  • জাতীয় পরিচয়পএ ডাউনলোড করার উপায়
  • নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২১
  • ভোটার আইডি কার্ড তৈরি
  • অনলাইন থেকে আপনার আইডি কার্ড সংগ্রহ করুন, ইত্যাদি।

সর্বশেষ:- 

একটি জাতীয় পরিচয় পত্র আমরা কোন দেশের নাগরিক, আমাদের পরিচয় কি সেগুলো প্রদর্শন করেন।তাই আমাদের সকলেরই দরকার নিজের অবৈধ স্বার্থের কথা চিন্তা না করে সঠিক তথ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন করা। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
Scroll to Top
Copy link
Powered by Social Snap